সিলেটসহ দেশব্যাপী কন্যা শিশু ফাহিমা, রামিসার মতো ধর্ষণ, খুন এবং হাম রোগে আক্রান্ত শিশু মৃত্যুর ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সিলেট বিভাগ গণদাবী পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটি।
রোববার (২৪ মে) বিকাল ৪টায় সংগঠনের মহানগরীর ৫৩নং সমবায় ভবন কার্যালয়ে আয়োজিত মতবিনিময় ও আলোচনা সভায় নেতৃবৃন্দ এসব ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
সভায় সংগঠনের সভাপতি অধ্যাপক এম শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সহ-সাধারণ সম্পাদক রুহুল ইসলাম মিঠুর উপস্থাপনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তাগণ বলেন, সিলেটে দেড় মাসের মাথায় অর্ধশতাধিকের চেয়ে বেশি হাম রোগে আক্রান্ত কন্যা শিশু মৃত্যুর ঘটনা বিগত করোনা মহামারিকে হার মানিয়েছে। সিলেটের সরকারী হাসপাতালগুলোকে চিকিৎসক কর্মচারীদের গাফিলতি ও টিকায় চরম অবহেলার কারণে এরুপ ঘটনা ঘটছে। নেতৃবৃন্দ এই হাম রোগে অনেক বয়স্ক মানুষও আক্রান্তের ঝুঁকিতে রয়েছেন। কিছুদিন আগে সিলেট মহানগরীর কোতয়ালী থানা রোড এলাকায় র্যাব-৯ সদস্য ইমন আচার্য ছিনতাইকারীর হাতে খুনের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার জোর দাবি জানানো হয়।
সভায় নেতৃবৃন্দ বলেন, সিলেটে ঘনঘন ছিনতাই, ধর্ষণ, খুন, অন্যায় এবং জুলুমের ঘটনা দিনদিন বৃদ্ধি পাওয়ায় জনসাধারণের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে। সভায় নেতৃবৃন্দ বলেন, এখন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে ছেলে শিশুরাও বলাৎকারের শিকার হচ্ছেন। আইন শৃঙখলার এমন অবনতি জনসাধারণ চিন্তা করতে পারেনি। সভায় আগামী ঈদুল আযহা উপলক্ষে সিলেটের সর্বত্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা বলয় গড়ে তোলার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।
সভায় সিলেট-চারখাই-শেওলা সড়ক প্রকল্পের অর্থ বরাদ্দ দেওয়ায় সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানো হয়।সভায় বক্তব্য রাখেন, সিলেট বিভাগ গণদাবী পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মনসুর আহমদ লস্কর, সহ-সভাপতি মো: মোছলেহ উদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনোরঞ্জন তালুকদার, মো: ইউসুফ শেলু, কয়েছ আহমদ সাগর, মো: ইদ্রিস আলী, মৌলভী রশীদ আহমদ, শফিক আহমদ, দপ্তর সম্পাদক সেলিম আহমদ, মো: নুরুল ইসলাম, শ্রমিক নেতা কয়েছ মিয়া, বাবুল দাস প্রমুখ।
এই নিউজ 311 বার পড়া হয়েছে