২৭শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৩ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ৮ই শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে জাতীয় জনতা পার্টির শ্রদ্ধা নিবেদন

প্রকাশিত মার্চ ২৬, ২০২৬, ১১:৪৮ পূর্বাহ্ণ
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে জাতীয় জনতা পার্টির শ্রদ্ধা নিবেদন

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের স্মরণে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জাতীয় জনতা পার্টির জাতীয় কমিটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এডভোকেট তাহমিনুল ইসলাম খানের নেতৃত্বে শ্রদ্ধা ও পুষ্পস্তবক অর্পন করা হয়েছে।

শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, সূপ্রিম কোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী এডভোকেট তাহমিনুল ইসলাম খান জাতীয় জনতা পার্টির সকল স্তরের নেতৃবৃন্দ, দেশবাসী ও প্রবাসী বাংলাদেশীদের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের শুভেচ্ছা জানাই।

বক্তারা বলেন, আজ ২৬শে মার্চ, আমাদের জাতীয় জীবনের সবচেয়ে গৌরবের দিন। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানীদের গণহত্যার পরে এই দিনে বাঙালি জাতি দীর্ঘদিনের শোষণ ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের পথ বেছে নিয়েছিল। এই মহান মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়কের দায়িত্ব নিয়ে বঙ্গবীর জেনারেল এম এ জি ওসমানী দেশকে ১১টা সেক্টরে ভাগ করে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করেন এবং দীর্ঘ নয় মাস যুদ্ধের পর দেশ স্বাধীন করেন। আজকের এই দিনে আমি গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি বীর মুক্তিযুদ্ধা সহ সকল বীর শহীদদের যাদের আত্মত্যাগে দেশ স্বাধীন হয় এবং আমরা পেয়েছি এই স্বাধীন মানচিত্র, স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ।

স্বাধীনতা মানে শুধু একটি মানচিত্র নয়, স্বাধীনতা মানে নিজের ভাষায় কথা বলা, নিজের সংস্কৃতি নিয়ে বেঁচে থাকা এবং মাথা উঁচু করে বাঁচার অধিকার। এই স্বাধীনতা অর্জনে বাঙালি জাতি অসামান্য ত্যাগের পরিচয় দিয়েছে। এবং তৎপরবর্তী গণতন্ত্র প্রতিষ্টার জন্য মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক এম এ জি ওসমানী একটি জাতীয় জনতা পার্টি নামে রাজনৈতিক দল গঠন করে ১৯৭৬ সালের ৫ই সেপ্টেম্বর। দীর্ঘ ৫০ বছর ধরে এ পার্টি দেশের জনগণ ও গণতন্ত্র রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছে।

আজকের এই দিনে আমাদের শপথ নিতে হবে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার। যারা এখনো এই স্বাধীনতাকে দুর্বল করতে চাচ্ছে, তাদের ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করে আমাদের সোনার বাংলাকে বিশ্ব দরবারে উন্নত ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে। আসুন, আমরা দল-মত নির্বিশেষে দেশের অগ্রযাত্রায় কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করি। তরুণ প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জেনে দেশপ্রেমের ব্রত নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। পরিশেষে, শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে এবং দেশের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করছি।

শ্রদ্ধা নিবেদনে জাতীয় কমিটির মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযুদ্ধা কাজী গোলাম মর্তুজা, সিলেট বিভাগীয় সমন্বয়কারী ও জেলা সাধারণ সম্পাদক আকলিছ আহমদ চৌধুরী, জেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম বকুল, মহানগর কমিটির সভাপতি শফিকুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহমদ চৌধুরীসহ জেলা ও মহানগরের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এই নিউজ ৩১৫ বার পড়া হয়েছে