৩রা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৮ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ১৪ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

সচেতনতাই পারে শিশুদের বধিরতা থেকে মুক্ত রাখতে: ডা.নূরুল হুদা নাঈম

প্রকাশিত মার্চ ৩, ২০২৬, ০১:৪৭ অপরাহ্ণ
সচেতনতাই পারে শিশুদের বধিরতা থেকে মুক্ত রাখতে: ডা.নূরুল হুদা নাঈম

বিশ্ব শ্রবণ দিবস উপলক্ষ্যে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সিলেটে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি পালন করেছে এনজেএল ইএনটি সেন্টার। কর্মসূচির অংশ হিসেবে মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিকেলে নগরীর কাজলশাহস্থ সেন্টার মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

ইএনটি এন্ড হেড-নেক বিশেষজ্ঞ সার্জন ডা. নূরুল হুদা নাঈমের সভাপতিত্বে ও এডভোকেট রেজাউল করিম তালুকদার এর পরিচালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন এডভোকেট আব্দুল মুকিত অপি, ডা. এম. এ আক্কাস, ডা. আমিনুল ইসলাম, ডা. আব্দুল হাফিজ শাফী, ডা. জহিরুল ইসলাম, ডা. তরিকুল ইসলাম আনন্দ, ডা. মাসুম বিল্লাহ, ডা. মঈনুল ইসলাম,ডা. ওসমান, ডা. মোকাদ্দেম, আব্দুল্লাহ আল ফাহিম, মি কিংকন প্রমুখ।

সভাপতির বক্তব্যে ডা. নূরুল হুদা নাঈম বলেন, সচেতনতাই পারে শিশুদের বধিরতা থেকে মুক্ত রাখতে। উচ্চমাত্রার শব্দ দূষণ, টিভি দেখা,এবং হেডফোন ব্যবহার কানের দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতি করতে পারে। তিনি বলেন,সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে কানের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান সম্ভব। বর্তমানে প্রায় ৯০ ভাগ কানের সমস্যা সমাধান করা যায় দেশীয় প্রযুক্তি দিয়ে। আমাদের কেবল বিদেশি চিকিৎসা পদ্ধতির উপর নির্ভরশীল না হয়ে দেশীয় চিকিৎসার কাছে সন্তোষজনক চিকিৎসা পাওয়া যায়।

ডা. নাঈম আরো বলেন, বর্তমানে মোবাইল ও হেডফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার এবং শব্দ দূষণের কারণে শ্রবণ সমস্যার ঝুঁকি বাড়ছে। হেডফোন ব্যবহার ৬০% ভলিউম এর নিচে একাধারে ৬০ মিনিটের কম ব্যবহার করার পরামর্শ দেন। এর অতিরিক্ত ভলিউম দিয়ে হেডফোন ব্যবহার করলে অকালেই শ্রবণ সমস্যায় আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা রয়েছে।
বক্তারা আরও জানান, নিয়মিত কান পরীক্ষা, সংক্রমণ হলে দ্রুত চিকিৎসা গ্রহণ এবং উচ্চ শব্দ এড়িয়ে চললে শ্রবণশক্তি রক্ষা করা সম্ভব। তথ্যগুলো আমরা যেন আমাদের আত্নীয়স্বজনের কাছে ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে ছড়িয়ে দেই এই আশাবাদ ব্যক্ত করে আলোচনার সমাপ্তি করা হয়।

শিশুদের জন্মগত শ্রবণ সমস্যাও দ্রুত শনাক্ত করে চিকিৎসা শুরু করা প্রয়োজন। মা-বাবাই করতে পারবেন শিশুর শ্রবণ পরিক্ষা-যেমন জোড়ে শব্দ করলে বাচ্চা চমকে উঠবে,চোখের পাতা নাড়াবে। শিশু ৬ মাস বয়সে নাম ধরে ডাকলে আপনার দিকে মাথা ঘুরাবে, ৯ মাস বয়সে কোন শিশু মা-বাবা বলে না ডাকে এবং ২ বছরের মধ্যে কথা বলা না শিখলে অপেক্ষা না করে দ্রুত চিকিৎসা নিতে হবে। আলোচনায় সভায় চিকিৎসক, নার্স, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

এই নিউজ ৩১৩ বার পড়া হয়েছে