সিলেট বিআরটি যেন এক অনিয়মের মহোৎসবের কারখানা। অফিসটিতে গড়ে উঠেছে মোশারফ ও রফিকুল এর একটি বিশাল সিন্ডিকেট। দালালদের দৌরাত্ম্য আর অসাধু কর্মকর্তাদের সিন্ডিকেটে এখানে সাধারণ মানুষের প্রবেশাধিকার সীমিত। মোটরযান পরিদর্শক মোশাররফ হোসেনের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা এক শক্তিশালী চক্রের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে পরিবহন সেবা। ঘুষ ছাড়া এখানে ফাইল নরে না, সম্প্রতি বিআরটি এর দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ দাবি ও লার্নার বাতিল, লাইন্সের পরীক্ষায় অনিয়ম এবং লার্নার কার্ড কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে। এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন এক ভুক্তভোগী।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, জকিগঞ্জ উপজেলার বল্লা গ্রামের বাসিন্দা মো. নুরুল ইসলাম নুরু (লার্নার নম্বর: ১০-১৮১৫৪৩২৪ গত ৮ মার্চ নির্ধারিত সময়ে ভাইভা ও ব্যবহারিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। নুরুল ইসলাম ২০১৩ সাল থেকেই একজন দক্ষ ‘হেভি’ লাইসেন্সধারী চালক।
<span;>তার লার্নারে ‘ড্রাম ট্রাক’ উল্লেখ থাকায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তাকে ওই ভারী যানবাহন দিয়েই পরীক্ষা দিতে বলেন। তবে তিনি ব্যক্তিগত প্রয়োজনে লার্নারে ‘মোটর কার’ (ছোট গাড়ি) অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন এবং সেই গাড়ি দিয়েই সফলভাবে পরীক্ষা সম্পন্ন করেন। কিন্তু এতে ক্ষিপ্ত হয়ে বিআরটিএ কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম ও মোশাররফ হোসেন তার লার্নার কার্ডটি কলম দিয়ে কেটে বাতিল করে দেন। লার্নার বাতিলের পর তিনি কর্মকর্তা রফিকুল ইসলামের শরণাপন্ন হলে তাকে পাস করিয়ে দেওয়ার বিনিময়ে ১০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন। ঘুষ দিতে অস্বীকার করায় তার লার্নারটি স্থায়ীভাবে নষ্ট করে দেন তিনি। ভুক্তভোগী চালক আরও অভিযোগ করেন, একই দিনে অনেক অদক্ষ চালককে অবৈধভাবে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে পাস করিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় তিনি জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এই নিউজ ৪১৯ বার পড়া হয়েছে