সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার তেলিখাল ইউনিয়নের কৃতি সন্তান মোঃ আসাদুল হক আসাদ। তার দাদা মরহুম হাজী আতাউর রহমান পাকিস্তান আমলে চেয়ারম্যান ছিলেন। আরেক দাদা মরহুম হাজী হায়াত উল্লাহ ছিলেন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও সাবেক সভাপতি। তারই ধারাবাহিকতায় তার চাচা শাব্বির আহমদ ১৯৯২ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত তেলিখাল ইউনিয়নে সুনাম ও সততার সাথে জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং আগামীতেও নির্বাচন করার ইচ্ছা পোষণ করছেন।
মোঃ আসাদুল হক আসাদ কোম্পানীগঞ্জের সন্তান হলেও বেড়ে উঠেন সিলেট শহরে। তিনি সিলেট সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি, মুরারি চাঁদ কলেজ থেকে এইচএসসি এবং গণিত বিভাগে অনার্স ও মাস্টার্স কৃতিত্বের সাথে সম্পন্ন করেন।
স্কুল জীবনেই মীরাবাজার কেন্দ্রীক রাজনীতিতে তাঁর পদচারণা। কলেজ জীবনে বীরদর্পে কলেজ ক্যাম্পাস ও মহানগরে রাজনীতি করেন। যার ফলশ্রুতিতে, ২০০৩ সালে এমসি কলেজ ছাত্রদলের কমিটিতে দফতর সম্পাদক মনোনীত হন এবং পরবর্তীতে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেন।
দীর্ঘ একযুগ পর মহানগর ছাত্রদলের গঠিত কমিটিতে এম. ইলিয়াস আলী অনুসারীদের হাতেগোনা কয়েকজনের মধ্যে তিনি একজন মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক পদ লাভ করেন। তিনি মহানগর জিয়া পরিষদ, সিলেটের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং জিয়া শিশু-কিশোর সংগঠন (জিসিস) এর জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
তারপর, তিনি সরাসরি মহানগর বিএনপির রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হয়ে পড়েন। মহানগর বিএনপির সাবেক আহবায়ক আব্দুল কাইয়ুম জালালী পংকী ও সদস্য সচিব মিফতাহ সিদ্দিকীর আহবায়ক কমিটিতে তিনি নিষ্ঠার সাথে দাফতরিক দায়িত্ব পালন করেন এবং আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয় এবং অগ্রনী ভুমিকা রাখেন ও সাহসী লিখনির মাধ্যমে অনেকের নজর কাড়েন এবং কলাম লেখক হিসেবে পরিচিতি পান।
তিনি সিলেটের একটি আলোচিত পত্রিকা দৈনিক সিলেটের দিনকালের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ও নির্বাহী সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেন।
তাছাড়া, তিনি সিলেট শহরের সুপরিচিত এফটিসি ও আরটিসির স্বত্বাধিকারি ও চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং এখনো তীব্র প্রতিকূলতার মধ্যেও প্রাতিষ্ঠানিক ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছেন। উনার প্রতিষ্ঠানে সিলেটে থেকেই চাটার্ড একাউন্টেন্ট হিসেবে অক্সফোর্ড ব্রোকস ইউনিভার্সিটি থেকে অনার্স এবং লন্ডন ইউনিভার্সিটি থেকে মাস্টার্স, জিইডি, জিআরই, স্যাট, ‘ও’ লেবেল এবং ‘ এ’ লেবেল টিউশন সাপোর্ট দেওয়া হয় এবং সিলেটের অন্যতম সেরা প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। যদিও হাসিনা সরকারের শিক্ষানীতির কারণে শিক্ষাব্যবস্থায় ব্যাপক ধ্বস নামে এবং এর প্রভাব তাঁর প্রতিষ্ঠানগুলোতেও পড়ে।
তিনি আন্তর্জাতিক সংগঠন লায়ন্স ইন্টারন্যাশনাল ক্লাব, সিলেট সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক পরিচালিত বয়স্ক কোরআন শিক্ষা বোর্ডে দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও তিনি একজন ক্রীড়ানুরাগী ও স্বনামধন্য সামাজিক সংগঠক হিসেবে সিলেটে সুপরিচিত।
আগামী কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাচনে এবং সিলেট জেলা বিএনপির কমিটিতে উনাকে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকায় দেখতে চায় উনার শুভাকাঙ্ক্ষী সচেতন মহল।
এই নিউজ ৩৮৪ বার পড়া হয়েছে