১২ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৯শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৪শে শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি

শ্রুতি সম্মাননা ১৪৩২ পাচ্ছেন প্রখ্যাত লোকসংগীত শিল্পী শ্যামল পাল

প্রকাশিত এপ্রিল ১১, ২০২৬, ১০:০০ পূর্বাহ্ণ
শ্রুতি সম্মাননা ১৪৩২ পাচ্ছেন প্রখ্যাত লোকসংগীত শিল্পী শ্যামল পাল

বাংলা নববর্ষ ১৪৩২ উপলক্ষে ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘শ্রুতি’ সিলেটের মর্যাদাপূর্ণ ‘শ্রুতি সম্মাননা’র জন্য মনোনীত হয়েছেন বিশিষ্ট লোকসংগীত শিল্পী শ্যামল পাল। দীর্ঘ দুই দশক ধরে সাহিত্য, সংস্কৃতি, শিক্ষা ও চারুকলার বিভিন্ন শাখায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রতি বছর এই সম্মাননা প্রদান করে আসছে সংগঠনটি।

ফরিদপুর জেলার মধুখালীর বাগবাড়ী গ্রামে জন্ম নেওয়া শ্যামল পাল শৈশব থেকেই পারিবারিক আবহে সংগীতের সাথে যুক্ত। জ্যাঠা তারাপদ পাল এবং পরে মিহির কুমার গাঙ্গুলীর কাছে উচ্চাঙ্গ সংগীতের তালিম নেন তিনি। লোকসংগীতের গভীর নির্যাস গ্রহণ করেছেন প্রখ্যাত শিল্পী কিরণ চন্দ্র রায়, হাফিজুর রহমান এবং ইন্দ্রমোহন রাজবংশীর মতো গুণীজনদের কাছ থেকে।

বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনের নিয়মিত শিল্পী শ্যামল পাল লোকসংগীতের সুর নিয়ে বাংলাদেশের প্রতিটি প্রান্ত ছাড়াও ওপার বাংলার কোচবিহার, আসানসোল, পুরুলিয়া ও বর্ধমানসহ বিভিন্ন স্থানে পদচিহ্ন রেখেছেন। ২০২০ সালে তিনি ফরিদপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমি থেকেও গুণীজন সম্মাননা লাভ করেন। তার দরাজ কণ্ঠের লোকজ সুর মাটির মানুষের হৃদয়ে গভীর আবেদন তৈরি করে।

বিগত বছরগুলোতে ভবতোষ চৌধুরী, কবি তুষার কর, উস্তাদ করিম শাহাব উদ্দিন, জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়, হেলাল হাফিজ এবং ডালিয়া আহমেদের মতো প্রথিতযশা গুণীজনরা এই সম্মাননা লাভ করেছেন। গত বছর ১৪৩১ বঙ্গাব্দে রবীন্দ্র সংগীতে এই সম্মাননা পেয়েছিলেন রাণা কুমার সিনহা। সেই ধারাবাহিকতায় এবার লোকসংগীতে বিশেষ অবদানের জন্য শ্যামল পালকে এই বিরল সম্মাননায় ভূষিত করা হচ্ছে।

শ্রুতির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী পহেলা বৈশাখ ‘শ্রুতি বর্ষবরণ উৎসবে’ আনুষ্ঠানিকভাবে শিল্পী শ্যামল পালের হাতে এই সম্মাননা তুলে দেওয়া হবে। বর্ণাঢ্য এই আয়োজনে সিলেটের সকল সাংস্কৃতিক ও সৃজনশীল মানুষকে উপস্থিত থাকার জন্য শ্রুতির পক্ষ থেকে সানুগ্রহ আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

এই নিউজ ৩১৭ বার পড়া হয়েছে