[english_date], [bangla_date], [hijri_date]

৪৫তম বিশ্ব শান্তি দিবস উপলক্ষে সিলেটে বিএমবিএফ-এর আলোচনা সভা

প্রকাশিত September 21, 2026, 01:17 PM
৪৫তম বিশ্ব শান্তি দিবস উপলক্ষে সিলেটে বিএমবিএফ-এর আলোচনা সভা

বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশন (বিএমবিএফ) সিলেট বিভাগীয় শাখার উদ্যোগে জাতিসংঘ ঘোষিত ৪৫তম বিশ্ব শান্তি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

(সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টায় নগরীর জিন্দাবাজারস্থ ‘বাংলাদেশ ওভারসিজ সার্ভিসেস কনফারেন্স হল’-এ এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশন (বিএমবিএফ) সিলেট বিভাগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও ঢাকার জাতীয় সদরের সমাজকল্যাণ সম্পাদক আলহাজ্ব মনসুর আহমদ লস্করের সভাপতিত্বে এবং বিএমবিএফ সিলেট বিভাগের সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা জাতীয় সদরের সিনিয়র সহকারী মহাসচিব মনোরঞ্জন তালুকদারের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএমবিএফ সিলেট বিভাগের সভাপতি ও জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আতাউর রহমান।

অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন ফুলকলি ফুড প্রোডাক্টস্ লিমিটেডের ডিজিএম ও বিএমবিএফ সিলেট বিভাগের উপদেষ্টা জসিম উদ্দিন খন্দকার।

এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএমবিএফ সিলেট বিভাগের সহ-সভাপতি ও সিলেট প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি এম. এ. হান্নান, মহানগরের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ মুছলেহ উদ্দিন আহমদ। অন্যান্যদের মধ্যে মীর্জা রেজওয়ান বেগ, শ্যামল চৌধুরী, মো: খালেদ মিয়া, মো: বেলাল উদ্দিন, আব্দুল ওয়াদুদ, মো: ইউসুফ সেলু, মোছাম্মত রুনা সুলতানা, সিরাজুল হক, আব্দুল কাইয়ুম কামালী, লুলু কামালী, হুসনা চৌধুরী, এখলাছুর রহমান তালুকদার প্রমুখ।

সভায় বক্তারা বলেন, বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠা আজ মানবজাতির জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। সংঘাত, যুদ্ধ ও সহিংসতা শুধু মানুষকে ধ্বংস করছে না, বরং উন্নয়ন ও মানবকল্যাণের পথে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। জাতিসংঘ ঘোষিত এই দিবস আমাদের মনে করিয়ে দেও যে শান্তি শুধু কোনো শব্দ নয়। এটি একটি কার্যকর বাস্তবতা, যা ভালোবাসা পারস্পারিক সম্মান, মানবাধিকার রক্ষা এবং সামাজিক ন্যায়ে ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত হয়। আজকের এই দিনে জাতিসংঘে প্রতিজ্ঞা করতে হবে বৈষম্য, সহিংসতা ও ঘৃণা নয় বরং সহমর্মিতা, বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার মাধ্যমে একটি শান্তিপূর্ণ পৃথিবী গড়ে তুলতে হবে। ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ন্যায় সংগত ও মানবিক বিশ্ব নিশ্চিত করাই জাতিসংঘের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত।

তারা আরও বলেন, বর্তমানে যুব সমাজের একটি অংশ মাদকের ভয়াবহ ছোবলে আক্রান্ত হচ্ছে। মাদকাসক্তি শুধু একজন তরুণের জীবনকেই ধ্বংস করে না, এর নেতিবাচক প্রভাব পরিবার ও সমাজের ওপরও পড়ে। মাদক নির্মূলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি পরিবার ও সমাজের প্রত্যেক সদস্যকে সচেতন ও সোচ্চার হতে হবে এবং খুন, ধর্ষণ ও মাদক থেকে বেরিয়ে আসতে হলে প্রতিটি ঘরে ঘরে সচেতন হতে হবে ও পরিবারকে সোচ্চার হয়ে তা প্রতিরোধ করতে হবে।

বক্তারা বলেন, সন্তানদের প্রতি অভিভাবকদের আরও দায়িত্বশীল হতে হবে। তারা কার সঙ্গে মিশছে, কোথায় যাচ্ছে এবং কী ধরনের কর্মকাণ্ডে যুক্ত হচ্ছে—এসব বিষয়ে নজর রাখতে হবে। পাশাপাশি তরুণদের খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে তাদের ইতিবাচক পথে এগিয়ে নিতে হবে।

এই নিউজ 312 বার পড়া হয়েছে