সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) ২১ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম সোনারপাড়া এলাকায় বিশুদ্ধ সুপেয় পানির সংকট, দীর্ঘদিনের অপরিকল্পিত ও অপ্রশস্ত রাস্তা এবং ড্রেনেজ ব্যবস্থার অসমাপ্ত কাজের কারণে তীব্র জলাবদ্ধতায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন এলাকাবাসী। নাগরিকদের এই দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত দুর্দশা নিরসনে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ূমের,সিউক চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী সহ সরকারের বিভিন্ন দ্বায়িত্ব প্রাপ্তদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বিভিন্ন দাবি উপস্থাপন করা হয়।
শুক্রবার ২৫ সেপ্টেম্বর জুমআর নামাজের পূর্বে পশ্চিম সোনারপাড়া বায়তুন নূর জামে মসজিদের মিম্বর থেকে মসজিদ ও স্থানীয় পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে এসব দাবি ও নাগরিক সমস্যার কথা তুলে ধরেন মসজিদ পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ফয়েজ উল কয়েস।
এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে মূলত ৩টি সুনির্দিষ্ট দাবি তুলে ধরা হয়: ১. পর্যাপ্ত সুপেয় পানির তীব্র সংকট সমাধান: এলাকায় সিটি কর্পোরেশনের সরবরাহের পানি চাহিদা অনুযায়ী পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে প্রতিদিন হাজারো মানুষকে চরম সুপেয় পানির কষ্টে দিনাতিপাত করতে হচ্ছে। ২. জরুরি ভিত্তিতে রাস্তা প্রশস্তকরণ: সোনারপাড়া এলাকার মাত্র ২০০ থেকে ২৫০ ফুট রাস্তাটি অত্যন্ত সরু ও সংকুচিত অবস্থায় রয়েছে। যার কারণে প্রতিদিন ছোট-বড় যানবাহনে ভয়াবহ যানজট সৃষ্টি হচ্ছে এবং এলাকাবাসীকে যাতায়াতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। ৩. অসমাপ্ত ড্রেনের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করা: শাহজালাল উপশহর ও সোনারপাড়া সংলগ্ন মূল প্রধান ড্রেনের পূর্ণাঙ্গ কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হলেও মাঝখান দিয়ে মাত্র ১০০ ফুট অংশ দীর্ঘ দিন ধরে ফেলে রাখা হয়েছে। ড্রেনের এই সামান্য অংশ অসম্পূর্ণ থাকার কারণে সামান্য বৃষ্টিতেই মূল ড্রেনের পানি উপচে পুরো এলাকায় কৃত্রিম ও তীব্র জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে।
জুমআর নামাজ আদায় শেষে পঞ্চায়েতের সদস্য,গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সাধারণ মুসল্লিরা সরজমিনে চিহ্নিত সমস্যাগ্রস্ত রাস্তা এবং অসমাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা ঘুরে দেখেন।
এ সময় স্থানীয় মুসল্লিরা ও এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, অবহেলিত এই ৩ টি নাগরিক সমস্যা সমাধানে বিগত দিনে বারবার আবেদন জানিয়েও প্রতিকার মেলেনি।
সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ূম সরেজমিনে পরিদর্শন করে দ্রুত সময়ের মধ্যে সমস্যাগুলো নিরসনে প্রয়োজনীয় সংস্কারমূলক পদক্ষেপ নেবেন বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন। বিজ্ঞপ্তি
এই নিউজ 349 বার পড়া হয়েছে